ভালোবাসা যখন চায়ের টেবিলে
ভালোবাসা যখন চায়ের টেবিলে

মাবিয়া রহমান, মনিরামপুর প্রতিনিধি: মনের ভাব প্রকাশ করতে মানুষ কতইনা পদ্ধতি অবলম্বন করে। খোলাচিঠি, ফেসবুকের মেসেঞ্জার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ, পত্র-পত্রিকা সহ মিডিয়া টেলিভিশনে।
আর এইসবের ব্যতিক্রমে মনের ভাব প্রকাশ করতে দেখা গেছে চায়ের দোকানের এক টেবিলে। আর সেখানে কলম দিয়ে লেখা হয়েছে আমি সাজিদাকে ভালোবাসি।
বুধবার(২০শে)এপ্রিল দুপুরে মনিরামপুর পৌরসভা কার্যালয়ের সামনে অধীর(৪০)’র চায়ের দোকানে টেবিলে লেখাটা লক্ষ্য করা যায়। লেখাটি নিয়ে দোকানে অবস্থানরত ক্রেতারা নানান মন্তব্য করে হাসাহাসি করতে থাকে আর বলে ভালোবাসা এখন চায়ের দোকানের টেবিলে।
বাম হাতের দুই আঙ্গুলে মাঝে জলন্ত সিগারেট, মাঝেমধ্যে দুই ঠোঁটে নিয়ে টান দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ধোয়া ওড়াচ্ছিল আর ডান হাতে ছিল একটা কলম।
হয়তো তখনই ভালোবাসার মানুষটির কথা বেশি মনে পড়ছিল। আর তখনই লিখেছে “আমি সাজিদাকে ভালোবাসি” এমনটাই ধারণা করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি বলেন, যেহেতু মেয়েদের নাম উল্লেখ করে লিখেছেন সেহেতু লেখক পুরুষই হবে।
যদি কখনো ওই ছেলেটির দেখা মেলে তাহলে একটিবারের জন্যে হলেও বলতাম বাবা তুমি একটি উপন্যাস রচনা করো আর তার নাম দিও ভালোবাসা যখন চায়ের টেবিলে।
কে লিখেছে” দোকানদার অধীরের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, প্রতিদিনই তো কত মানুষ আসে তাদের মধ্যে কখন কে লিখেছে তা বলতে পারবো না।
এদিকে অনলাইন নিউজ পোর্টাল দৈনিক কলম কথার সম্পাদক ও উপজেলা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সুমন চক্রবর্তী বলেন, ভালোবাসা মানুষের ব্যক্তিগত অধিকার আর সে অধিকারে হস্তক্ষেপ করা কখনো ঠিক হবে না। তবে এটুকুই বলবো চায়ের টেবিলে ভালোবাসা প্রকাশ না করে আমার দৈনিক কলম কথাতে প্রকাশ করুন।
ডেইলি কলমকথার সকল নিউজ সবার আগে পেতে গুগল নিউজ ফিড ফলো করুন
দৈনিক কলম কথা সংবিধান ও জনমতের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। তাই ধর্ম ও রাষ্ট্রবিরোধী এবং উষ্কানীমূলক কোনো বক্তব্য না করার জন্য পাঠকদের অনুরোধ করা হলো। কর্তৃপক্ষ যেকোনো ধরণের আপত্তিকর মন্তব্য মডারেশনের ক্ষমতা রাখেন।